সাধারণভাবেই প্রতিদিন কিছু না কিছু চুল ঝরে পড়ে। যখন আমদের Chul Pora Suru Korle তখন Koster Ses থাকে না। প্রতিদিন ১০০টা চুল পড়া স্বাভাবিক বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকার কিছু নেই।

চুল পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মাথায় প্রতিনিয়তই Notun Chul Gojay। তবে চুল যদি বেশি পরিমাণে পড়তে থাকে, অর্থাৎ চুল পড়ার হার যদি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হয় তাহলে তা চিন্তার কথা। তাই চুল বেশি পড়লে অবশ্যই আমাদের গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখতে হবে।

Ki ki Karone Mathar Chul Porte Pare Janar upay । চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো না হলে, অ্যানিমিয়া থাকলে, মানসিক স্ট্রেস-টেনশন, চুলে খুশকি, বড় কোন অসুখে ভুগলে, বেশি মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেলে ইত্যাদি নানা কারণেই চুল পড়ে থকে । ফলে মাথার চুল পাতলা হয়ে যায়।

চুল পড়া বন্ধে করতে প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে Ki Karone Mathar Chul Porche।আগে কারণটা খুঁজে বের করে আগে সেই সমস্যার সমাধান করতে হবে।

Chul Pora Roder Upay

চুল পড়া বন্ধ করতে হলে অবশ্যই এর কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হবে । নিজে নিজে চিকিংসা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করুন । নিচে Chul Pora Roder Kicu Upay দেওয়া হলো-

১।চুলের জন্য ধূমপান খুবই ক্ষতিক্র ।এর কারনে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় , রক্ত নালিকাগুলো ও ক্ষতিগ্রস্থ হয় । এর কারনে চুল পড়া অনেক বেড়ে যায় এবং চুল বাদামি বর্ন ধারন করে ।

২। অতিরিক্ত চা-কফি পান করা উচিত না। চা বা কফিতে ক্যাফেইন থাকে যা সকল প্রকার চুল ও স্কিনের সমস্যার জন্য অনেক দায়ী।

৩।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লক্ষনীয় যে, শরীরে আয়রনের অভাবে চুল পড়ে থকে । আয়রনের অভাবে আমাদের শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা কমে যায়, যা আমাদের চুলের গোড়ার (হেয়ার ফলিকল) মজবুত করার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি তাই হয়, তাহলে প্রচুর পরিমাণে লাল শাক, কচুশাক খেতে হবে।

৪। ভিটামিন-ই চুল পড়া রোধে ও নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করে , তাই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সমৃদ্ধ শাকসবজি ও ফলমূল খেতে হবে । ভিটামিন-ই চুলের ত্বকে অক্সিজেনের সরবরাহ করতে সাহাজ্য করে, যা চুল বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এতে চুল পড়া রোধ হয়।

ভিটামিন-ই এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে ক্ষতিকারক ফ্রি র‌্যাডিকেল অপসারণের মাধ্যমে স্কিনকে সুরক্ষিত রাখে। নাশপাতি, বাদাম ও জলপাই তেলে প্রচুর ভিটামিন-ই থাকে। অন্যদিকে ভিটামিনের সর্বোৎকৃষ্ট প্রাকৃতিক উৎস হচ্ছে গম, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, সবজি, ডিম প্রভৃতি।

৫। স্বাস্থ্যকর খাবার বা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে । প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার শুধু যে চুল শক্ত করে তা নয়, চুল গজাতেও সহায়তা করে। এছাড়া অতিরিক্ত চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবারও পরিহার করতে হবে ।

৬। ওমেগা- থ্রি (৩) ফ্যাটি অ্যাসিড চুল পড়া বন্ধে খুব কার্যকর। সাধারণত বিশেষ ধরনের মাছে এই উপাদানটি থাকে। তবে আমাদের দেশে এসব স্যামন, ম্যাকারেল মাছ পাওয়া যায় না। প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি (৩) ফ্যাটি অ্যাসিড তিসির তেলে পাওয়া যায়। আর এই তেল পাবেন স্থানীয় বাজারেই। মনে রাখবেন, এই তিসির তেল কিন্তু মাথায় লাগানোর জন্য নয় অথবা রান্নায় ব্যবহার করার জন্যও নয়। প্রতিদিন ২ চা চামচ তিসির তেল সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে খআবেন । তাহলেই আপনার চুল পড়া অনেক কমে আসবে । এছাড়া প্রচলিত চুল সুরক্ষার তেল ব্যবহার করার মাধ্যমেও চুলের প্রতি যত্নশীল হোন।

৭। নতুন চুল গজাতে উদ্দীপনা দেবার জন্য প্রতি সপ্তাহে চুলের ত্বক ব্যবহার করুন।

৮। চুলে অপ্রয়োজনীয় ঘষা-মাঝা, অতিরিক্ত আচরানো পরিহার করুন। গরম পানি, ড্রায়ার বা এমন কিছু ব্যবহার করবেন না যা চুলে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করে।

৯। চুলকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রখতে হবে ।

১০। পর্যাপ্ত ঘুমান এবং বিশ্রাম নিন, কেননা ঘুম ও বিশ্রাম নতুন চুল গজানো ও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহায়তা করে।

টিপস (Tips)

** চুল পড়া বন্ধ করতে কি খাবেন ভিটামিন ই ক্যাপসুল খান অথবা ই ক্যাপ নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে হালকা গরম করে চুলে লাগান। ক্যাস্টর অয়েল তেলের সাথে মিশিয়ে লাগাতে পারেন।চুল পরা কমে যাবে।

**যেসব চুলের গোরা চটচটে ও উপরিভাগ রুক্ষ সেসব চুল সাধারনত মিশ্র প্রকৃতির চুল।এরকম চুলে সপ্তাহে অন্তত 3 দিন শ্যাম্পু করুন ও কন্ডিশনার ব্যাবহার করুন।শ্যাম্পুর আগে কুসুম গরম তেলের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে হালকা মাসাজ করলে চুল ভাল থাকবে।

Related Post





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*