অন্যান্য

বৈশাখের স্পেশাল কবিতা ও বাংলা মাসের এই নামগুলি হয়েছে জানার উপায়

বৈশাখের স্পেশাল কবিতা ও বাংলা মাসের এই নামগুলি হয়েছে জানার উপায় ১৪২৫;

বৈশাখের কবিতা

-ইকবাল আহমেদ

আরো একটি বৈশাখ এলো
আমের মুকুল কাঠালের গন্ধ মৌ মৌ হলো।
সাঁঝ না হতেই আঁধার করে প্রচণ্ড ঝড়ের তাণ্ডব নিয়ে এলো
কালবোশেখী। উড়িয়ে দিল জরাজীর্ণ পুরোনোকে
নতুনের আগমন করল ঘোষণা।
পাগলা ঝোড়ো হাওয়া মত্ত হলো
তরুশাখা ভেঙ্গে দূরে ছুড়ে ফেলে।
আর কৃষকের টিনের চাল দুমড়ে মুচড়ে
দূরে নিক্ষেপ করে।
গাঁয়ের বঁধু ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে
ছোট্য শিশুকে কাঁথায় পেঁচিয়ে
বুকে জড়িয়ে বিধাতাকে ডাকে।
মুহুমুহু বজ্রধনি বিজলী চমক
নতুন বছর ঘোষনা করে সরবে গৌরবে।
নিত্য দেখা এ দৃশ্য এ বৈশাখে এখন
আমাদের সামনে নেই।
এখানে এই ক্যানবেরাতে শীত পড়ে এসেছে।
বৈশাখের আগমন হয়েছে ভিন্নভাবে।
আমরা জড়োসড়ো হয়ে প্রজ্জলিত গনগনে হিটারের সামনে বসে থাকি
বা জানালার পাশে শীতের সকালে রোদ পোহাই।
এখন আমার কবি চিত্ত কিছুটা বিক্ষিপ্ত।
কিভাবে বলব তাই ভাবি।
রুদ্র তপ্ত তাণ্ডবী বৈশাখ কালবোশেখী ধারী
নাকি শীতের হিমেল পরশে নতনম্র হে
ডাউন আন্ডারের বৈশাখ?
কে বলে দেবে আমায়?
আচ্ছা আপনারাই বলুন তো।
শেষের চরনঃ
নাচে ঐ কালবোশেখী
কাটাবো কাল বসে কি?
এসো দুর্নীতির ভেঙ্গে
মুক্ত করি সরল নিরীহ মানুষ।
হাসি ফুটবে দুঃখিনী বাংলা মায়ের মুখে।

ঝড় এলো এলো ঝড়

ঝড় এলো এলো ঝড়

আম পড় আম পড়

কাঁচা আম ডাঁসা আম

টক টক মিষ্টি

এই যা…

এলো বুঝি বৃষ্টি।

টুপটাপ পড়ে আম

পিছনে ও সামনে

চট করে গুটিকয়েক

ডাসা ডাসা আম নে

তারপরে দে না ছুট

চল চল জলদি

নইলে যে বৃষ্টিতে

ভিজে হবে সর্দি

আর তাতে হবে অনাসৃষ্টি

এই যা …

এলো বুঝি বৃষ্টি।

সর্দিটা হলে ভাই

আম খাওয়া বন্ধ,

কাচা হোক ডাসা হোক

সবটাই মন্দ।

তার চেয়ে চল যাই

করি কিছু খাটনি,

নুন-ঝাল-তেল মেখে

করে নিই চাটনি।

কি যে মজা চাটনিতে

টক-ঝাল-মিষ্টি,

দেখলেই জিভ পুরে

আসে পানি বৃষ্টি,

আহা কি যে মিষ্টি মিষ্টি

এই যা…

এলো বুঝি বৃষ্টি।

বন্ধু

১.

আগের সব কষ্ট , করে ফেল নষ্ট । নতুন দিনে সবার প্রাণে , কেউ রেখনা দুঃখ মনে। শুভ হোক নতুন দিন, খুশি থাকো সারা দিন।

*শুভ নববর্ষ*

২.

নতুন সূর্যটা হাসে, তোমায় ভালবাসে। তাই তোমাকে জানাই নতুন বছরের শুভেচছা।

শুভ নববর্ষ !

৩.

নতুন বছর আসুক শুধু আনন্দের স্পর্শ নিয়ে, আমার তরফ থেকে তোমায় জানাই শুভ নববর্ষ।

৪.
মনে আসুক বসন্ত সুখ হোক অনন্ত, স্বপ্ন হোক জীবন্ত আর নতুন বছরের আনন্দ হোক অফুরন্ত।

শুভ নববর্ষ।

৫.
পুরোনো যত হতাশা, দুঃখ,অবসাদ, নতুন বছর সেগুলোকে করুক ধূলিস্যাৎ। সুখ, আনন্দে মুছে যাক সকল যাতনা। শুভ নববর্ষ।

৬.
নববর্ষে নবরূপ রাঙিয়ে দিক প্রতিটি মুহূর্ত, সুন্দর সমৃদ্ধ হোক তোর আগামীর দিনগুলো।

!!শুভ নববর্ষ!!

৭.
পুরনো সব কিছু মুছে ফেল মন থেকে, তাকাও নব সুর্যের দিকে। নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

শুভ নববর্ষ !

৮.
পুরানো সব স্মৃতি করে ফেল ইতি, পুরনো সব কষ্ট করে ফেল নষ্ট, পুরানো সব বেদনা আর মনে রেখ না, পুরনোর হয়েছে মরন নতুন করে কর বরণ।

শুভ নববর্ষ!!

৯.
নতুন পোশাক নতুন সাজ, নতুন বছর শুরু আজ। মিষ্টি মন মিষ্টি হাসি, শুভেচ্ছা জানাই রাশি রাশি”।

*শুভ নববর্ষ*

১০.
তিন জন লোক তোর ফোন নম্বর চাইছিল। আমি দিইনি, কিন্তু ঠিকানাটা দিয়েই দিলাম। ওরা এই নববর্ষে তোর বাড়ি যাচ্ছে। ওরা হলো সুখ, শান্তি আর সমৃদ্ধি !

শুভ নববর্ষ !

বৈশাখী স্পেশাল


আবার এসেছে ফিরে, বাঙালির ঘরে, নবরুপে পহেলা বৈশাখ…
আজ শুধুই ভালবাসার উজানে, বাঙালির বর্ষবরণ নানা আয়োজনে,
রমনীরা আজ সেজেছে নতুন সাজে, পায়ের নূপুর ঘুঙ্গুর বাজে।
নাচবে দুলেদুলে দেখবো প্রানখুলে, প্রিয়ার ভালবাসা জমা থাক।
আবার এসেছে ফিরে, বাঙালির ঘরে, নতুন সাজে পহেলা বৈশাখ।
শুভ নববর্ষ !!


একটু আলো, একটু আধার, বাতাসগুলো নদীর বুকে দিচ্ছে সাতার।
কিছু দুঃখ, কিছু সুখ, সবচেয়ে সুন্দর এই বাংলার মুখ।
বাংলা নবর্ষের পদার্পনে, এসো শানিত হই নবপ্রাণে… শুভ নববর্ষ


ঢাক ঢোল মাদলের তালে
রং বেরঙের মনের দেয়ালে
বাঙালি সংস্কৃতি উজ্জীবিত থাক যুগে যুগে।
******শুভ নববর্ষ*******


রাঙা আবির মেখে চোখে চোখে
মনের কথা সে বলছে,
নতুন সাজে সবার ঘরে বৈশাখ এসেছে।
রং মেখে ললনা, হালে দুলে চলনা।
এমন দিনে কেউ করোনা ছলনা।
“শুভ পহেলা বৈশাখ”


ঝরে গেল আজ বসন্তের পাতা
নিয়ে যাক সঙ্গে সব মলিনতা।
বৈশাখের সকালে লাগুক প্রাণে আনন্দের এই স্পর্শ,
মন থেকে আজ জানাই তোমায় “শুভ নববর্ষ”।


বসন্তের আগমনে কোকিলের সুর
গ্রীস্মের আগমনে রোদেলা দুপুর
বর্ষার আগমনে সাদা কাঁশফুল
তাই তোমায় শুভেচ্ছা জানাতে মন হল বেকুল
শুভ নববর্ষ…


পান্তা ইলিশ আর ভর্তা ভাজি বাঙ্গালীর প্রাণ
নতুন বছর সবাই গাইবো বৈশাখের গান।
এসো হে বৈশাখ এসো এসো…


মুছে যাক সকল কলুষতা
শান্তির বার্তা নীল খামে পাঠালাম
সুদিনের সুবাতাস তোমায় দিলাম।
******শুভ নববর্ষ*******


নতুন সূর্য, নতুন প্রান
নতুন সুর, নতুন গান
নতুন উষা নতুন আলো
নতুন বছর কাটুক ভালো।
কাটুক বিষাদ, আসুক হর্ষ
শুভ হোক নববর্ষ।

১০
নতুন পোশাক নতুন সাঁজ
নতুন বছর শুরু আজ।
মিষ্টি মন মিষ্টি হাঁসি,
শুভেচ্ছা জানাই রাশি রাশি। শুভ নববর্ষ…

বাংলা বারো মাসের নামকরণ

সম্রাট আকবরের আমলে ফারসী মাসের অনুকরণে বাংলা মাসগুলোর নাম ছিল যা পরবর্তীতে নানা ঘটনাক্রমে বিভিন্ন তারকার নামানুসারে বর্তমান নামে রূপান্তরিত বা প্রবর্তন করা হয়। আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত তারিখ-ই-ইলাহী-র মাসের নামগুলি প্রচলিত ছিল ফারসী ভাষায়, যথা: ফারওয়াদিন, আর্দি, ভিহিসু, খোরদাদ, তির, আমারদাদ, শাহরিযার, আবান, আযুর, দাই, বহম এবং ইসক্নদার মিজ। বাংলা সনে বারো মাসের নামকরণ করা হয়েছে নক্ষত্রমন্ডলে চন্দ্রের আবর্তনে বিশেষ তারার অবস্থানের উপর ভিত্তি করে । এই নাম সমূহ গৃহিত হয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক প্রাচীন গ্রন্থ “সূর্যসিদ্ধান্ত” থেকে।

বাংলা মাসের এই নামগুলি হচ্ছে

বৈশাখ – বিশাখা নক্ষত্রের নাম অনুসারে
জ্যৈষ্ঠ – জ্যেষ্ঠা নক্ষত্রের নাম অনুসারে
আষাঢ় – উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্রের নাম অনুসারে
শ্রাবণ – শ্রবণা নক্ষত্রের নাম অনুসারে
ভাদ্র – পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্রের নাম অনুসারে
আশ্বিন – অশ্বিনী নক্ষত্রের নাম অনুসারে
কার্তিক – কৃত্তিকা নক্ষত্রের নাম অনুসারে
অগ্রহায়ণ(মার্গশীর্ষ) – মৃগশিরা নক্ষত্রের নাম অনুসারে
পৌষ – পুষ্যা নক্ষত্রের নাম অনুসারে
মাঘ – মঘা নক্ষত্রের নাম অনুসারে
ফাল্গুন – উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্রের নাম অনুসারে
চৈত্র – চিত্রা নক্ষত্রের নাম অনুসারে

বৈশাখ মানেই

-আদনান সৈয়দ

বৈশাখ মানেই মায়ের হাসি
কৃষক বধুর চপল চোখ,
বৈশাখ মানেই প্রাণের পরশ
ছোট্ট আমার বাংলামুখ।

বৈশাখ মানেই উথাল-পাথাল
নাইচা নাইচা বাউল গান,
বৈশাখ মানেই বাংলা শিশুর
ছোট্ট গালে মিষ্টি প্রাণ।

বৈশাখ মানেই পাগলা হাওয়া
আকাশ জুড়ে মেঘলা দিন,
বৈশাখ মানেই তোমার কাছে
আমার কিছু জমলো ঋন।

বৈশাখ মানেই তোমার খোপায়
বেলি ফুলের প্রিয় মালা,
বৈশাখ মানেই তোমার চোখে
ভালোবাসার নিত্য জ্বালা।

বৈশাখ মানেই মেলায় মেলায়
জোড়ায় জোড়ায় বাসর ঘর,
বৈশাখ মানেই বুকের মাঝে
ভালোবাসার নতুন চর।

বৈশাখ মানেই নতুন কথা
বৈশাখ মানেই নতুন পথ,
বৈশাখ মানেই নতুন সকাল
ভালোবাসার রঙিন রথ!

বৈশাখে মাছে-ভাতে বাঙালি

রসনা তৃপ্তিতে বাঙালির চাই মাছ। আর নিত্যকার রান্নার চেয়ে একটু ভিন্নস্বাদ পেলে তো কথাই নেই।

লবঙ্গ-রুই

উপকরণ:

রুই মাছ ৫-৬ টুকরা, লবঙ্গ ৪-৫টি, তেজপাতা ১টি, নারকেলের দুধ ঘন ১ কাপ, পেঁয়াজ মোটা করে কাটা ৭-৮টি, কাঁচা মরিচ ৫-৬টি, ময়দা ১ টেবিল-চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, ঘি ১ টেবিল-চামচ, লবণ স্বাদমতো, লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ, তেল প্রয়োজনমতো।

প্রণালি:

মাছ কেটে ধুয়ে লবণ ও লেবুর রস মাখিয়ে রাখতে হবে ৫ মিনিট। এরপর মাছ হালকা বাদামি করে ভেজে তুলে রাখতে হবে। কড়াইতে ৪ টেবিল-চামচ তেল দিয়ে লবঙ্গ ও তেজপাতার ফোড়ন দিতে হবে। পেঁয়াজ হালকা করে ভেজে চিনি ও ময়দা দিয়ে আরও একটু ভাজতে হবে। নারকেলের দুধ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। ফুটে উঠলে মাছগুলো দিয়ে প্রয়োজন হলে আধা কাপ পানিও দেওয়া যেতে পারে। ঝোল ঘন হলে ঘি দিয়ে পরিবেশন করা যায়।

লেবু-পাবদা

উপকরণ:

পাবদা মাছ ৭-৮টি, লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, লেবুপাতা ২টি (সরু সরু করে কুচি করা), পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, জিরা বাটা আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজনমতো।

প্রণালি:

পাবদা মাছ কেটে ও ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। এরপর কড়াইয়ে তেল দিয়ে পেঁয়াজ, রসুন, জিরা, হলুদ, মরিচ, লবণ ও সামান্য পানি দিয়ে একটু মসলা কষিয়ে নিতে হবে। মসলা কষানো হলে পাবদা মাছগুলো দিয়ে একটু নেড়ে ১ কাপ গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। মাছ মাখামাখা হলে তাতে লেবুর রস ও লেবুপাতা কুচি ছড়িয়ে দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে মজাদার লেবু-পাবদা মাছ।

কই মাছের পাতুরি

উপকরণ:

কই মাছ ৪টি, ২টি কাঁচা মরিচসহ সরষে বাটা ১ টেবিল-চামচ, নারকেল বাটা ১ টেবিল-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ ১ টেবিল-চামচ, মরিচ গুঁড়া সামান্য, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, জিরা বাটা আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ৪টি, লাউপাতা বড় ৪টি, লবণ স্বাদমতো, সরষের তেল প্রয়োজনমতো, সুতা পরিমাণমতো।

প্রণালি:

প্রথমে কই মাছ কেটে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। লাউপাতা ও সুতা ছাড়া তেলসহ সব মসলা একসঙ্গে মাখিয়ে কই মাছ ১৫ মিনিট ম্যারিনেট করে রাখতে হবে। ৪টি বড় লাউপাতায় একটি করে মাছ ও একটি করে কাঁচা মরিচ দিয়ে ভালো করে মুড়িয়ে সুতা দিয়ে পেঁচিয়ে বেঁধে নিতে হবে। প্রতিটি মাছ বাঁধা হলে সসপ্যানে মাছের সমান করে পানি দিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে পাঁচ মিনিট পর তা নামিয়ে সুতা খুলে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা যায় মজাদার কই মাছের পাতুরি।

কাতলা মাছের কালিয়া

উপকরণ:

কাতলা মাছ ৫ টুকরা, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল-চামচ, আদা-রসুন বাটা ১ চা-চামচ, জিরা বাটা আধা চা-চামচ, ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা-চামচ, কাজু বাদাম বাটা ১৪-১৫টি, টমেটো সস ২ টেবিল-চামচ, ময়দা ১ টেবিল-চামচ, ফেটানো ডিম অর্ধেকটা, আলু ডুমো করে কাটা ২টি (মাঝারি), কাঁচা মরিচ ফালি ৪-৫টি, লবণ স্বাদমতো, ঘি বা তেল প্রয়োজনমতো।

প্রণালি:

কাতলা মাছ কেটে ও ধুয়ে তাতে হলুদ, মরিচ, আদা-রসুন বাটা, লবণ, ময়দা ও ফেটানো ডিম দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে ৫ মিনিট। তারপর মাছগুলো ডুবোতেলে ভেজে তুলে রাখতে হবে। আলুগুলো মসলা মাখিয়ে ভেজে রাখতে হবে।
কড়াইয়ে ২ টেবিল-চামচ তেল ও ১ টেবিল-চামচ ঘি দিয়ে তাতে পেঁয়াজ বাটা, আদা-রসুন বাটা, জিরা বাটা, ধনে গুঁড়া, কাজু বাদাম বাটা, টমেটো সস দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। মসলা কষানো হলে ১ কাপ দুধ বা পানি দিয়ে তাতে ভাজা মাছ ও ভাজা আলু দিতে হবে। তেল ওপরে উঠে এলে গরম মসলা গুঁড়া ও কাঁচা মরিচ ছড়িয়ে দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।

জানার উপায়: পহেলা বৈশাখের স্পেশাল কথা, পহেলা বৈশাখি মজার ছন্দ কথা ১৪২৫, পহেলা বৈশাখ বাংলা মাসের এই নামগুলি কিভাবে হয়েছে জানার উপায়, বৈশাখের কবিতা ১৪২৫, পহেলা বৈশাখের ছন্দের বাংলা এসএমএস ২০১৮, নববর্ষের নতুন কথা ১৪২৫,

Related Post





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*
*