অজুর বিবরন,অজুর ফরজ, সুন্নত ,মুস্তাহাব সমূহ,সঠিক ভাবে জানার উপায়।

আসসালাম্মু আলাইকুম,

সবাই কেমন আছেন ? আশা করি ভাল আছেন আজকের পোস্টে আমরা জানব যে, অজু কী? অজুর ফরজ সমুহ,অজুর সুন্নত সমুহ,অজুর মুস্তাহাব সমুহ।

চলুন কথা না বলে শরু করি আজকের পোস্ট–

অজুর বিবরন

পাক পবিত্রতা হাসিলের জন্য কম না পাক হালতে পানি দ্বারা শরীরের কতিপয় নির্দিষ্ট অঙ্গ যতাঃ হাত, পা ও মুখ মন্ডল ধৌত করা এবং মস্তক মাসেহ করাকে অজু বলা হয়।

আজুর ফরজ সমুহ

অজুর ফরজ মোট চারটি। যথাঃ-

১)সম্পুর্ন মূখমন্ডল একবার ধৌত করা।

২)উভয় হাত কুনুই সহ একবার ধৌত করা।

৩)মাথার এক চতুর্থাংশ একবার ধৌত করা।

৪)উভয় পা টাকনু সহ একবার ধৌত করা।

এই ফরজ সমুহের মধ্যে একটাও বাদ পড়িলে কিংবা একটি পশমের গোরায় ও পানি না পৌছালে  অর্থাৎ শুকনা থাকলে অজু হইবে না।

অজুর সুন্নত সমুহ

অজুর ভিতর সুন্নত ১০টি ।যথাঃ-

১)বিসমিল্লাহ বলিয়া অজু আরম্ব করা।

২)হস্তদ্বয় কব্জই সহ তিনবার ধৌত করা।

৩)তিনবার কুলি করা।

৪)নাকে পানি দিয়ে ৩বার ঝারা।

৫)মেসওয়াক করা।

৬)সম্পুর্ন মস্তক একবার মাসেহ করা।

৭)প্রত্যেক অঙ্গ তিনবার ধৌত করা।

৮)কর্নদ্বয় মাসেহ করা।

৯)হাতদ্বয় এর আঙ্গুলী খেলাল করা।

১০)পদদ্বয় এর আঙ্গুলী খেলাল করা।

অজুর মুস্তাহাব সমুহ

অজুর মধ্যে মুস্তাহাব মোট চোদ্দটি।যথাঃ-

১)প্রথমে ডান অঙ্গ হইতে অজু আরম্ব করা।

২)অজু করিবার পরে নামাজের জন্য তৈরী থাকা।

৩)অজুর নিয়ত মুখে ও অন্তরে বলা।

৪)অজুর ভিতরের দোয়া সমুহ পাঠ করা।

৫)হাতে আংটি থাকিলে উহা ঘোরাইয়া দেওয়া।

৬)সমস্ত মাথা কর্নদ্বয় ও ঘাড় সহ মাসেহ করা।

৭)অজুর পড়ে সূরা ক্বদর একবার পড়া।

৮)প্রত্যেক অঙ্গ ধুইবারকালে বিসমিল্লাহ পড়া।

৯)কেবলা মূখি হইয়া বসা।

১০)কথা না বলা।

১১)উঁচুস্থানে বসা।

১২)দাড়ি ঘন হইলে খেলাল করা।

১৩)নিয়ম মানা এবং অতিরিক্ত পানি খরচ না করা।

১৪)এক অঙ্গ না শুকাইতে অন্য অঙ ধৌত করা।

বন্ধুরা উপরে অজুর ফরজ,সুন্নত,মুস্তাহাব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে,আল্লাহ পাক যেন আমাদের সকলকে সঠিক ভাবে অজু করার এবং নামাজ পড়ার তৌফিক দান করেন। সবাই বলেন আমিন

পরবর্তি পোস্টে আমরা আলোচনা করব অজুর মাকরুহ এবং অজু ভঙ হইবার কারন সম্পর্কে ,আজকের পোস্ট এখানেই শেষ করছি।

সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

☻ ভূতের_রাজা ☻

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *