স্ত্রীর রাগ কমানোর উপায়, স্ত্রীর বা বউকে রাগ ভাঙানোর মেসেজ

আমাদের সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে নিজেকে শান্ত রাখা। স্ত্রী যখন খিটমিট করবে তখন আপনি যদি উত্তেজিত হয়ে পড়েন, তাহলে সম্পর্ক নষ্ট হতে সময় লাগবে না একটুও। তাই মাথা ঠাণ্ডা রাখুন, বোঝার চেষ্টা করুন যে তিনি কেন রেগে যাচ্ছেন। আপনি শান্ত থাকলে সেও ধীরে ধীর শান্ত হয়ে যাবে।

রাগের সময় আপনি তার সামনে থাকলে কখনোই তা আর কমবে না। তাই এ সময়টা তার কাছ থেকে দূরে থাকুন। কিছুক্ষণ পর রাগ কমে গেলে তাকে সবকিছু বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করুন। তাহলে বোঝার চেষ্টা করবে।

বর্তমান আমরা অকারণে খিটখিটে স্বভাবের হয়ে যায়, প্রচণ্ড মানসিক অশান্তি থেকে এটা হয়। তাই স্ত্রী যখন রেগে যাবে তখন চেষ্টা করুন তাকে খুশি করার জন্য। সারপ্রাইজ দিন, ওই সময় হাসুন, হাসির কথা বলুন। দেখবেন, রেগে যাওয়া থেমে যাবে এবং সেও হাসতে শুরু করবে।

কিসে খুশি হয় সেটি খুঁজে বের করুন
প্রতিটি নারীর কিছু দুর্বল জায়গা থাকে। কিছু কিছু সাধারণ বিষয় থাকে, যাতে স্ত্রীরা খুব অল্পতে পটে যায়। তার একটি তালিকা তৈরি করুন। নিয়মিত তা চর্চার চেষ্টা করুন। তাতে সংসার সুখি হবে।

আপনার স্ত্রী যখন কোন কারণে খিটখিটে ও রেগে যাবে তখন তার রাগ হওয়ার প্রশংসা করুন। রেগে গেলে তাকে খুব সুন্দর দেখায় সেটি বলুন। হাসানো কথা বলুন । তার রাগ হওয়া আপনি খুব পছন্দ করেন সেটাও বলতে থাকুন। দেখবেন নিমিষেই রাগ ভেঙে যাবে।

প্রেম ভালোবাসা এমন একটি জিনিস, যা যে কোন মানুষের মন নরম করতে বাধ্য। সঙ্গী যখন খিটখিটে স্বভাবের হয়ে যাবে ঠিক তখনি আপনি বাড়তি ভালোবাসা দিয়ে অভাবটা পূরণ করে দিন। রাগ থাকবে না।

আপনার স্ত্রী/বউ যখন রেগে যাবে তখন ধৈর্য ধরে শুনতে থাকুন। কেননা তার রেগে যাওয়ার সময় আপনি রাগ দেখালে সেটি আরও বড় পর্যায়ে যেতে পারে। তাই স্ত্রী রেগে গিয়ে যা যা বলছে তা নিরবে শুনুন।

নিজে ধৈর্য ধরতে শিখুন। আপনার মাথা ঠাণ্ডা না থাকলে বউকে সামলাবেন কী করে? পৃথিবীতে সব মানুষ সমান হয় না। কারো রাগ বেশি থাকে, আবার কারোটা কম।

আপনার কোন ভুলের জন্য স্ত্রী রেগে গেছে। ঠিক এ সময় আন্তরিকতার সঙ্গে দোষ স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করুন। দেখবেন স্ত্রী রাগ করেছে ঠিকই কিন্তু এই রাগ বেশিক্ষণ স্থায়ী থাকবে না। দ্রুত সেই রাগ চলে যাবে।

স্ত্রীর বা বউকে রাগ ভাঙানোর মেসেজ,বউকে রাগ ভাঙ্গানোর status,স্বামী রাগ ভাঙানোর এসএমএস,স্ত্রীর রাগ কমানোর উপায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *