ঘুমের মাঝে Gumer Moddhe Kotha Bola Bondo Kora Janar Upay

আপনি যদি বা আপনার বন্ধু-বান্ধব বা স্ত্রী সন্তান বা মা বাবা যদি ঘুমের মধ্যে কথা বলার অভ্যাস থাকে তাহলে আপনার পরিবারের সদস্যরা বা আপনার রুম মেট অথবা আপনার সঙ্গী নিশ্চয়ই আপনাকে কথাটা বলে থাকবে। ঘুমের মধ্যে কথা বলার বিষয়টি হতে পারে খুব সরল অথবা কোন মারাত্মক কিছুর পূর্ব লক্ষণ। তাই স্লিপ টকিং কী? কেন হয়? এবং এর প্রতিকারের উপায় গুলো কি? সেই সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। এগুলোর সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে আপনি এর থেকে পরিত্রাণের জন্য পদক্ষেপ নিতে পারবেন। এই বিষয়গুলো জেনে নেই আসুন।

স্লিপ টকিং কী ও কাদের হয়
এটি এক ধরণের প্যারাসমনিয়া বা অস্বাভাবিক আচরণ যা ঘুমের মধ্যে হয়। যে কোন মানুষ এই সমস্যাটিতে ভুগতে পারে তবে পুরুষ ও শিশুরাই বেশি ভুগে থাকে। এরা ঘুমের মধ্যে কথা বলা সহ হাসে বেশি, গুণগুণ করে বা চিৎকার ও করে থাকে অনেক জোরে জোরে , অনেক সময় এমনও মনে হতে পারে যে অন্যের সঙ্গে কথা বলছে। সাধারণত অতীতের কোন ঘটনা, অভিজ্ঞতা বা সম্পর্কের কথাই বলে থাকে বেশি। স্লিপ টকিং এর বিষয়টি ৩০ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয়না এবং প্রতি রাতে একবারের বেশি হওয়াটাও বিরল। তারা এমন কথা বলে যা তাদের দৈনন্দিন জীবনে বলে না এবং অনেক সময় এমন অস্পষ্ট ভাবে কথা বলে যা বোঝা যায়না।

স্লিপ টকিং এর কারণ

স্লিপ টকিং সাধারণত নিজে নিজেই হয় এবং এটা তেমন ক্ষতিকর নয়। তবে কোন কোন সময় এটা মারাত্মক ঘুমের সমস্যা বা স্বাস্থ্যগত কোন সমস্যার ইঙ্গিত বহন করে। এছাড়াও মানসিক বা শারীরিক অসুস্থতা, ঔষধের অপব্যবহার।

স্লিপ টকিং নিরাময়

সাধারণত কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয়না। কিন্তু যদি এই সমস্যাটি নিয়মিত হতে থাকে এবং আপনার সঙ্গীর ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি করে তাহলে একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। এছাড়াও কিছু নিয়ম অনুসরণের মাধ্যমে এই সমস্যাটি নিয়ন্ত্রণ করা ও যেতে পারে যেমন

১। যেসব রোগীরা কম ঘুমান তাদের ক্ষেত্রে ঘুমের মধ্যে কথা বলার সমস্যা দেখা দেয়। পর্যাপ্ত ও নিয়মিত বিশ্রাম নিলে স্লিপ টকিং এর মাত্রা কমতে সাহায্য করবে।

২। স্ট্রেস স্লিপ টকিং এর তীব্রতা বাড়ায় ও পুনরাবৃত্তি ঘটায়। তাই চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।

৩। ঘুমের আগে অ্যালকোহল সেবন ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে ও স্লিপ টকিং এর মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

৪। রাতের বেলায় ঘুমাতে যাওয়ার আগে পেট পুরে খেলে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৪ ঘন্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন।

৫। চিনি যুক্ত ও ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলুন।

আপনি ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে আপনার ঘুমের ধরণ, খাবারের নিয়ম, ব্যায়ামের সময় ইত্যাদি বিষয় গুলো একটি ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করুন। এতে আপনার ঘুমের মধ্যে কথা বলার সমস্যাটির সনাক্ত করা ডাক্তারের জন্য সহজ হবে।

ঘুমের মাঝে হাঁটা কথা বলা বন্ধ করার নিয়ম,ঘুমের মাঝে কথা বলে কেন জানার উপায়, ঘুমের মাঝে কথা বলার কারণ কি,ঘুমের মাঝে কি কথা বললে কি ক্ষতি হয়, Ghumer gore Kotha bole keno, gumer Moddhe kotha bola ki rog,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *