১৪২৮ বৈশাখী কবিতা আবৃত্তি ও ছোট kobita

১৪২৭ বৈশাখী কবিতা

১৪২৮ বৈশাখী কবিতা আবৃত্তি ও ছোট kobita

বৈশাখের কবিতা ১৪২৮,বৈশাখের কবিতা 2021,
বৈশাখী kobita,boishakhi kobita abritti 1428,
পহেলা বৈশাখ কবিতা আবৃত্তি ১৪২৮,বৈশাখ এর কবিতা,
বৈশাখ নিয়ে কবিতা,বৈশাখ মাসের কবিতা,
কাল বৈশাখী কবিতা,বৈশাখী ছোট কবিতা,বৈশাখের ছড়া কবিতা,ছোটদের বৈশাখী কবিতা,
বৈশাখী ঝড়ের কবিতা,বৈশাখী ঝড় নিয়ে কবিতা,বৈশাখী নিয়ে কবিতা,বৈশাখী মেলা নিয়ে কবিতা,বৈশাখী প্রেমের কবিতা,

এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক_যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি, অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক।
মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এবার আস নি তুমি বসন্তের আবেশ হিল্লোলে পুষ্পদল চুমি, এবার আস নি তুমি মর্মরিত কূজনে গুঞ্জনে- ধন্য_ধন্য তুমি! রথচক্র ঘর্ঘরিয়া এসেছ বিজয়ীরাজ-সম গর্বিত নির্ভয়- বজ্রমন্ত্রে কী ঘোষিলে বুঝিলাম,
নাহি বুঝিলাম, জয় তব জয়
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সে পূর্ণ উদাত্ত ধ্বনি বেদগাথা সামমন্ত্রসম সরল গম্ভীর সমস্ত অন্তর হতে মুহূর্তে অখণ্ডমূর্তি ধরি হউক বাহির। নাহি তাহে দুঃখসুখ পুরাতন তাপ-পরিতাপ,
কম্প লজ্জা ভয়- শুধু তাহা সদ্যঃস্নাত ঋজু শুভ্র মুক্ত জীবনের জয়ধ্বনিময়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

তার পরে ফেলে দাও, চূর্ণ করো, যাহা ইচ্ছা তব- ভগ্ন করো পাখা। যেখানে নিক্ষেপ কর হৃত পত্র, চ্যুত পুষ্পদল,
ছিন্নভিন্ন শাখা, ক্ষণিক খেলনা তব,
দয়াহীন তব দস্যুতার লুণ্ঠনাবশেষ,
সেথা মোরে ফেলে দিয়ো অনন্ততমিস্র সেই বিস্মৃতির দেশ।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

হে কুমার, হাস্যমুখে তোমার ধনুকে দাও টান ঝনন রনন, বক্ষের পঞ্জর ভেদি অন্তরেতে হউক কম্পিত সুতীব্র স্বনন।
হে কিশোর, তুলে লও তোমার উদার জয়ভেরী, করহ আহ্বান।
আমরা দাঁড়াব উঠি, আমরা ছুটিয়া বাহিরিব, অর্পিব পরান।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দিন চলে যায় ঋতুর খেয়ায়, আসে ও যায় বছর মাস কারো কাটে কষ্টে আবার কেউ বা করে সুখেই বাস বদল খেলায় রঙিন আলোয় সুবজ পাতায় লাগে দোল বছর ঘুরে বৈশাখ আসে একতারা ও বাজে ঢোল।
শাহানারা রশিদ

বছর ঘুরে এলো আরেক প্রভাতী ফিরে এলো সুরের মঞ্জুরী পলাশ শিমুল গাছে লেগেছে আগুন এ বুঝি বৈশাখ এলেই শুনি মেলায় যাইরে, মেলায় যাইরে বাসন্তী রঙ শাড়ী পরে ললনারা হেটে যায়।
মাকসুদ

১৪২৭ বৈশাখী কবিতা আবৃত্তি ও ছোট kobita

বৈশাখ প্রেমের কবিতা,পহেলা বৈশাখের কবিতা,বৈশাখী বৃষ্টি কবিতা,বৈশাখী বাংলা কবিতা,বৈশাখী ভালোবাসার কবিতা,বৈশাখী মেলার কবিতা,বৈশাখের রোমান্টিক কবিতা,বৈশাখী শুভেচ্ছা কবিতা,বৈশাখের কবিতা সমগ্র

ভীষণ, তোমার প্রলয়সাধন প্রাণের বাঁধন যত যেন হানবে অবহেলে। হঠাৎ তোমার কণ্ঠে এ যে আশার ভাষা উঠল বেজে, দিলে তরুণ শ্যামল রূপে করুণ সুধা ঢেলে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আনন্দে আতঙ্কে নিশি নন্দনে উল্লাসে গরজিয়া মত্ত হাহা রবে ঝার সঞ্জীব বাধ উন্মাদিনী কালবৈশাখীর নৃত্য হোক তবে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বীণাতন্ত্রে হানো_হানো খরতর ঝংকারঝঞ্ঝনা, তোলো উচ্চসুর। হৃদয় নির্দয়ঘাতে ঝর্ঝরিয়া ঝরিয়া পড়ুক প্রবল প্রচুর। ধাও গান, প্রাণভরা ঝড়ের মতন ঊর্ধ্ববেগে অনন্ত আকাশে। উড়ে যাক, দূরে যাক বিবর্ণ বিশীর্ণ জীর্ণ পাতা বিপুল নিশ্বাসে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শুধু দিনযাপনের শুধু প্রাণধারণের গ্লানি শরমের ডালি, নিশি_নিশি রুদ্ধ ঘরে ক্ষুদ্রশিখা স্তিমিত দীপের ধূমাঙ্কিত কালি, লাভ, ক্ষতি, টানাটানি, অতি ক্ষুদ্র ভগ্ন-অংশ-ভাগ, কলহ সংশয়- সহে না সহে না আর জীবনেরে খণ্ড_খণ্ড করি দণ্ডে_দণ্ডে ক্ষয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নবাঙ্কুর ইক্ষুবনে এখনো ঝরিছে বৃষ্টিধারা বিশ্রামবিহীন, মেঘের অন্তর-পথে অন্ধকার হতে অন্ধকারে চলে গেল দিন। শান্ত ঝড়ে, ঝিল্লিরবে, ধরণীর স্নিগ্ধ গন্ধোচ্ছ্বাসে, মুক্ত বাতায়নে বৎসরের শেষ গান সাঙ্গ করি দিনু অঞ্জলিয়া নিশীথগগনে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বৈশাখ হে, মৌনী তাপস, কোন‌ অতলের বাণী এমন কোথায় খুঁজে পেলে। তপ্ত ভালের দীপ্তি ঢাকি মন্থর মেঘখানি এল গভীর ছায়া ফেলে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি, আনো-আনো-আনো তব প্রলয়ের শাঁখ। মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

তোমার ইঙ্গিত যেন ঘনগূঢ় ভ্রূকুটির তলে বিদ্যুতে প্রকাশে, তোমার সংগীত যেন গগনের শত ছিদ্রমুখে বায়ুগর্জে আসে, তোমার বর্ষণ যেন পিপাসারে তীব্র তীক্ষ্ণ বেগে বিদ্ধ করি হানে- তোমার প্রশান্তি যেন সুপ্ত শ্যাম ব্যাপ্ত সুগম্ভীর স্তব্ধ রাত্রি আনে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

শুনরে বেটা চাষার পো, বৈশাখ জ্যৈষ্ঠে হলুদ রো। আষাঢ় শাওনে নিড়িয়ে মাটি,ভাদরে নিড়িয়ে করবে খাঁটি। হলুদ রোলে অপর কালে, সব চেষ্টা যায় বিফলে।
ক্ষণা

হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ। ধুলায় ধূসর রুক্ষ উড্ডীন পিঙ্গল জটাজাল, তপঃক্লিষ্ট তপ্ত তনু, মুখে তুলি বিষাণ ভয়াল কারে দাও ডাক হে ভৈরব, হে রুদ্র বৈশাখ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Related posts

Leave a Comment