ছেলেদের ভালোবাসা, ছেলেদের মন বোঝার সহজ উপায়

ছেলেদের ভালোবাসা

ছেলেদের ভালোবাসা, ছেলেদের মন বোঝার সহজ উপায়

একটি পুরুষ যখন প্রেমে পরে তখন তার মাঝে অনেক কিছু কাজ করে। মেয়েটি সম্পর্কে নানা কৌতুহল থেকে শুরু করে নানা দিক। তবে একটি বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় যে ছেলেটি মেয়েকে ভালোবাসে কি না। যদি ছেলেটি সম্পর্কে থাকা অবস্থায় মেয়েটিকে যথেষ্ট সম্মান এবং তার বেটার হাফ হিসেবে মর্যাদা দেয় তবেই কেবল বোঝা সম্ভব যে মেয়েটিকে ছেলেটি মন থেকেই ভালোবাসে

মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের ভালোবাসা গভীর হয়। মেয়েরা কাউকে ভালোবেসে অবহেলা পেলেই সরে আসে কিন্তু ছেলেরা লেগে থাকা আঠারমতো। ছেলেরা ভালোবাসতে বাসতে নির্লজ্জ বেহায়া হয়ে যায়। এতটাই বেহায়া হয়ে যায় যে সবার সামনে কানধরা, হাত-পা ধরতে পর্যন্ত দ্বিধাবোধ করে না।

ভরদুপুরে প্রিয় মানুষটার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে এক নজর দেখার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা শুধু ছেলেরাই করতে জানে। যে ছেলে ঠিকমত নামাজ পড়তো না, তাকেও প্রেমিকার কথামত দেখা যায় নামাজের প্রথম কাতারে। যে পড়াশুনা তো দূরের কথা, ঠিক মত ক্যাম্পাসেও যেত না তাকেও দেখা যায় লাইব্রেরীতে মন দিয়ে পড়তেছে।

আচ্ছা কয়টা মেয়ে প্রেমিককে হারিয়ে পাগল হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছে? আমি আজ পর্যন্ত একটাও দেখি নাই। অথচ ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় প্রেমিকাকে হারিয়ে রাস্তায় দিন কাটাচ্ছে এরকম ছেলে অহরহ। জীবন দিয়েছেও অনেক। নেশার আগুন তো মেয়েরাই জ্বালিয়ে দিয়ে চলে যায়। হায়রে মেয়ে, ভালোবাসতে তো ছেলেরাই জানে।

ছেলেরা খুব সহজে নত হয় না, সবার সামনে নিজেকে ছোট করে না, শুধুমাত্র যাকে ভালোবাসে তার সামনেই ছেলেরা মাথা নত করে, ছোট হয় ও বিলিয়ে দেয় নিজের সবটুকু আত্মসম্মানবোধ, এর কারণ কি? শুধুমাত্র একটুখানী ভালোবাসা পাওয়ার জন্য, পাশে পাবার জন্য

মেয়েরা বেঁচে যায় শুধু একটা কারণেই. কারণ তারা কষ্ট সহ্য করার অসীম ক্ষমতা রাখে. তাই প্রেমে ধোঁকা খেলেও কষ্ট চেপে রেখে স্বামীর সংসার খুব ভালো ভাবেই করতে পারে. অথচ ছেলেরা কষ্ট সইতে পারে না, তাই নিজেকে শেষ করে দেয়. মেয়েরা চলে যায় স্বামীর বাড়িতে, ছেলেরা চলে যায় রাস্তার পাগলের দলে

প্রেমের ক্ষেত্রে মেয়েদের মনে যেমন মধুও আছে, তেমনি বিষও আছে। যার কপালে মধু পড়ে, তারমত ভাগ্যবান কেউ নাই। আবার যার কপালে বিষের ছিটা পড়ে, তারমত দূর্ভাগাও কেউ নাই। তবে ভাগ্যবানদের চেয়ে দূর্ভাগার সংখ্যা বেশি, তেমনি মধুমাখা মেয়ের চেয়েও বিষে ভরা মেয়ে বেশি

এটা সবচেয়ে সহজ লক্ষণ। হ্যা, আপনাকে দেখলেই তার মন খুশিতে ভরে ওঠে। আনন্দে তার চোখ দুটি চকচক করতে থাকে। তাই সে হাসতে থাকে, সবরকম লজ্জা শরম ভুলেই। যথাযথভাবে সাড়া দিন আপনিও। হাসতে তো পয়সা খরচ হয় না। তাই মিষ্টি করে হাসুন এবং সহজভাবে কথাবার্তা বলুন।

পড়েনা চোখের পলক/কী তোমার রুপের ঝলক।’ তিনি আপনাকে পছন্দ করতে শুরু করেছেন। তাই সারাক্ষণ আপনার দিকে সে তাকিয়ে থাকে। স্থান কাল পাত্র ভুলে শুধু আপনাকেই দেখতে থাকে সে। এ বিষয়ে আরো নিশ্চিত হতে চাইলে তার চোখের দিকে সরাসরি তাকান। দেখবেন দৃষ্টিতে ঝড়ে পড়ছে কত না মুগ্ধতা!

ভালোবাসার মূল্য ছেলেদের কাছে রয়েছে কিন্তু তারা ভালোবাসার চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন আত্মসম্মানকে। ছেলেরা সবসময়েই নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে সম্মান আশা করেন। তাদের মাপকাঠিতে সম্মান ভালোবাসার চাইতেও উপরে থাকে। এই কারণে অনেক সময় ভুল বুঝাবুঝি হলেও তারা এভাবেই চিন্তা করেন। ছেলেদের ভালোবাসা ২০২০, ২০২১, ২০২২

সাধারণত আমরা জানি, মেয়েরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ছেলেদের কাছে আশ্রয় নিয়ে থাকেন। কিন্তু এমন ভাবার কোনো কারণ নেই যে ছেলেরা একেবারেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন না। নিজেদের একটু অসহায়ভাবে ছেলেরাও খুঁজে পান। আর তখনই ছেলেরা মেয়েদের কাছে মানসিক আশ্রয় খুঁজে থাকেন। তবে সেটা সাধারণত শারিরীক নয় মানুষিক শক্তি।

মেয়েরা ভাবেন ‘কেমন দেখাচ্ছে, কি পোশাক পড়ব’ এগুলো নিয়ে ছেলেরা একেবারেই ভাবেন না। বরং হাতের কাছে যা পান তাই ফেলে। এই ধারনা একেবারেই ভুল। মেয়েদের মতো ছেলেরাও নিজেদের লুকস নিয়ে বেশ চিন্তিত । ছেলেরা মেয়েদের মতো ডায়েট না করলেও নিজেদের বডি নিয়েও এতই চিন্তিত থাকেন যেম রীতি মতো সালমান-হৃত্বিককে ফলো করা শুরু করে।

সামান্য বিষয় নিয়ে প্রতিযোগী মনোভাব এবং জিততেই হবে এই ধরণের ব্যাপারটি ছেলেদের মধ্যে আপনাআপনিই তৈরি হয়ে যায়। বলা হয়, ছেলেরা জন্মগত ভাবেই প্রতিযোগী ও জেতার মানসিকতা নিয়ে বড় হতে থাকেন।

অনেকেই মনে করেন, ছেলেরা শুধুমাত্র মেয়েদের শারীরিক বিষয়ে আকর্ষণ বোধ করলেই তাকে ভালোবেসে ফেলেন। বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল, কারণ সাধারণভাবে এবং স্বাভাবিক ছেলেরা কখনই ভালোবাসার জন্য শুধুমাত্র শারীরিক আকর্ষণকে প্রাধান্য দেন না। তারা সমঝোতা, তাকে বুঝতে পারা এবং বাস্তবের সাথে মিলিত সকল বিষয় বিবেচনা করে ভালোবাসেন।

ছেলেরা খুব রোম্যান্টিক হয়ে থাকেন। কিন্তু তা সবসময় সঠিক ভাবে উপস্থাপন এবং প্রকাশ করতে পারেন না। কারণ তারা দ্বিধায় থাকেন ‘যদি অতিরিক্ত হয়ে যায়, কিংবা তিনি যদি কিছু ভুল করে ফেলেন অথবা তাকে নিয়ে যদি সঙ্গী মজা করেন।

Related posts