জীবন এবং বাস্তবতা, বাস্তবতা বড়ই নিষ্ঠুর, বাস্তবতা মানে কি

জীবন এবং বাস্তবতা

জীবন এবং বাস্তবতা, বাস্তবতা বড়ই নিষ্ঠুর, বাস্তবতা মানে কি

কিছু গল্প, কিছু সময়, কিছু মুহূর্ত একান্ত আমার থাকুক।
যা কোনদিন পুনরাবৃত্তি না হোক।
যা একা দেখলে, আমি পুনরায় জীবিত হব, মনে হবে এটুকু আমার, একান্ত আমার।
যার সামান্য ভাগিদার কেউ না, ভীষণ ভালবাসতে পারার কোন ভাগ হয় না, কারণ এটা একান্ত নিজের।

বিশ্বাস ভেঙ্গেছে যেখানে,
আমি যুক্তি দিব কোনখানে।
জীবন এবং বাস্তবতা

এই বৃষ্টিস্নাত দিনে আমাদের আর দেখা হবে না,
গল্প হবে না।
ব্লাক কফির মায়ায় তুমি আর জড়াবে না।
আমার অধিকার দেখানো হবে না।
তবুও আমরা থাকব, হাসিতে, স্মৃতিতে,হুট করা কোন গল্পে। তবে কোনদিন সেই স্বপ্ন গুলো দেখা হবেনা।
সবচেয়ে বড় কথা, আর কোনদিন পাশাপাশি চলা হবেনা।
ভীষণভাবে বলা হবে না।।
ওই যে কিছুই না।

তুমি কীভাবে যেন মানিয়ে গেলে,
আর আমি ভাবতে গেলেই পাগল হয়ে যায়।
কীভাবে পারলে তুমি?

আমি ঠিক ততটা ভাবিনি,
যতটা সহ্য করে নিলাম।
সামান্য কিছু স্বপ্ন ছিল,
সেটাও হারিয়ে গেল।
পাপের চেয়ে সাজা বোধহয় বেশি হয়ে গেল।

আমি আমার অভ্যাসগুলোর কাছে খুব অসহায়,
সৃষ্টিকর্তা সাজা তো দিলেন, কেন ধৈর্য্য ধরার সার্মথ্য দিচ্ছেন না।

আমাদের শহরটাও আমাদের আলাদা হয়ে যাওয়ায় আর্তনাদ করে,
তোমার বোধহয় সেটা কান অবধি যায় না।
দেখ।
এই সুন্দর আবহাওয়াতেও আজ তোমার কোন ঘুরার অনুমতি নেয়।

আমি উদার না,
তাই তো খুব করুণ সময়েও বলি উঠি,
নাই কোন ক্ষমা নাই, তোমাকে ক্ষমাহীন অতৃপ্ত হতে হবে।

আমি ফুচকা খাই না,
চটপটি খাই না,
চকলেট ভুলে করেও হাতে নেই না।
বাদাম খাই না।
আমি এখন রিকশা থামিয়ে,
ভুল করেও বলি না, আমার সাথে হাঁটবে।
আমার মেঘলা আকাশ ভাল লাগে না।
এসব আমার খুব অপ্রিয়,
সত্যিই খুব অপ্রিয়।
আর এটাই সত্যি।

এই যে প্রতিদিন রাত জাগি,
চুপ থাকি,
দীর্ঘ শ্বাস ছাড়ি,
প্রতিদিন একটু একটু করে বাঁচার চেষ্টা করি,
প্রতিদিন নামায শেষে ধৈর্য্যর মিনতি করি,
এই মিনতি কী আল্লাহ ফেলে দিবে?
নাকি আল্লাহ আমার ইবাদত দেখে না??
আমার কী কোন দরকার আছে কোন অভিযোগের?
নাকি দরকার বদদোয়ার!
সুখী হয়ো তুমি।

তুমি বোধহয় আমার শূন্যতা অনুভব কর না,
সৃষ্টিকর্তা হয়ত তোমাকে।
আমার অনুপস্থিতার ব্যথা বুঝতেই দেয় নি,
তবে একদিন তোমাকে ভুলে যাব,
সৃষ্টিকর্তা এই ক্ষমতাটুকু আমাকে দিবেন অবশ্যই।

Related posts