পদার্থের বৈশিষ্ট্য এবং বাহ্যিক প্রভাব (সপ্তম শ্রেণি)

পদার্থের বৈশিষ্ট্য এবং বাহ্যিক প্রভাব (সপ্তম শ্রেণি)

 

প্রশ্ন-১. পদার্থ কাকে বলে? পদার্থ কী দিয়ে তৈরি?
উত্তর : যার ওজন আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। খালি চোখে দেখা যায় না এমন সূক্ষ্ম কণা দিয়ে পদার্থ তৈরি।

প্রশ্ন-২. স্ফুটনাঙ্ক কাকে বলে?
উত্তর : যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ ফুটতে শুরু করে, তাকে ঐ তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে।

প্রশ্ন-৩. পানির স্ফুটনাঙ্ক ১০০°C বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : পানির স্ফুটনাঙ্ক ১০০°C বলতে বোঝায়, পানি ১০০°C তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে।

প্রশ্ন-৪. মোমের গলনাঙ্ক কত?
উত্তর : মোমের গলনাঙ্ক ৫৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৫৭°C)।

প্রশ্ন-৫. নাইট্রোজেন, অক্সিজেন অধাতু কেন?
উত্তর : নাইট্রোজেন, অক্সিজেন তাপ ও বিদ্যুৎ অপরিবাহী এবং ওজনে হালকা ও দেখতে চকচকে নয়। এদের আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ করে না এবং ঘাতসহ ও নমনীয় নয়। এদের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক ধাতু অপেক্ষা নিম্ন। তাই, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন অধাতু।

 

প্রশ্ন-৬. শীতলীকরণ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : কোনো বস্তুর তরল অবস্থা থেকে কঠিন অবস্থায় পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে শীতলীকরণ বলে। তরল মোম থেকে কঠিন মোম হওয়ার প্রক্রিয়া হলো শীতলীকরণ।
প্রশ্ন-৭. ঘনীভবন বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : কোনো বস্তুর বাষ্পীয় অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ঘনীভবন বলে। বায়ুমণ্ডলের জলীয়বাষ্প থেকে শিশির, কুয়াশা হয় ঘনীভবন প্রক্রিয়ায়।

Related posts