রসায়ন প্রশ্ন ও উত্তর জানার উপায়

রসায়ন প্রশ্ন ও উত্তর জানার উপায়

প্রশ্ন-১. চতুর্যোজী মৌল কাকে বলে?
উত্তর: যেসব মৌলের যোজনী চার তাদেরকে চতুর্যোজী মৌল বলে। যেমন– সালফার (S), কার্বন (C) ইত্যাদি।

প্রশ্ন-২. ত্রিযোজী মৌল কাকে বলে?
উত্তর : যেসব মৌলের যোজনী তিন সেসব মৌলকে ত্রিযোজী মৌল বলে। যেমন– আয়রণ (Fe), ফসফরাস (P), নাইট্রোজেন (N) ইত্যাদি।

ভেক্টর রাশি ও স্কেলার রাশি কাকে বলে?

প্রশ্ন-৩. আদর্শ বা প্রতিরূপী মৌল কাকে বলে?
উত্তর : যে সকল মৌলের পরমাণুতে সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তর ইলেকট্রনে অপূর্ণ থাকে কিন্তু অভ্যন্তরীণ শক্তিস্তর এদের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে, সে সকল মৌলকে আদর্শ বা প্রতিরূপী মৌল বলে।

M অক্ষরের পিকচার, ছবি, পিক, ফটো, ওয়ালপেপার

প্রশ্ন-৪. আন্তঃঅবস্থান্তর মৌল কাকে বলে?
উত্তর : পর্যায় সারণির ল্যানথানাইড বর্গ এবং অ্যাকটিনাইড বর্গের মোট ৩০টি মৌলকে আন্তঃঅবস্থান্তর মৌল বলে।

প্রশ্ন-৫. যৌগ বা যৌগিক পদার্থ কি?
উত্তর : যে পদার্থকে রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করলে দুই বা ততোধিক মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে যৌগিক পদার্থ বলে। যেমন– হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন এ দুইটি মৌল নির্দিষ্ট ভর অনুপাতে পরস্পর যুক্ত হয়ে পানি উৎপন্ন করে। অতএব, পানি একটি যৌগিক পদার্থ।

প্রশ্ন-৬. কোন কোন গ্যাস নিস্ক্রিয় এবং কেন?
উত্তর : নিস্ক্রিয় গ্যাস-
১। আর্গন (Argon)
২। হিলিয়াম (Helium)
৩। নিয়ন (Neon)
৪। ক্রিপ্টন (Krypton)
৫। জেনন (Xenon)
৬। রেডন (Radon)
এরা অন্য কোন উপাদানের সাথে বিক্রিয়া করে না বলে এরা নিস্ক্রিয় গ্যাস।

প্রশ্ন-৭. ফরমালিন কাকে বলে?
উত্তর : ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।

প্রশ্ন-৮. আইসোমার কী?
উত্তর : একই পারমাণবিক ভরবিশিষ্ট বিভিন্ন মৌলের পরমাণুকে পরস্পরের আইসোমার বলে।

প্রশ্ন-৯. ধাতব পরিবাহী কি?
উত্তর : যেসব ধাতব মৌল ইলেকট্রণের মাধ‍্যমে বিদ‍্যুৎ পরিবহন করে তাদেরকেই ধাতব পরিবাহী বলে। এদের ভিতরে মুক্ত বা সঞ্চরণশীল (Delocalized) ইলেকট্রণ থাকে। যা প্রবাহিত হয়ে বিদ‍্যুৎ পরিবহন করে।

প্রশ্ন-১০. ধাতুর পুনঃপ্রক্রিয়াজাত কাকে বলে?
উত্তর : পরিত্যক্ত ধাতুকে আবার ব্যবহার উপযোগী ধাতুতে পরিণত করার পদ্ধতিকে ধাতু পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বলে। যেমন পরিত্যক্ত অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিলকে অ্যালুমিনিয়াম তৈরীর কারখানায় প্রেরণ করে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয়।

রসায়ন প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১

প্রশ্ন-১১. পটাশিয়াম (K)-কে ক্ষারধাতু বলা হয় কেন?
উত্তর : K পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার দ্রবণ তৈরি করে। এর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্থরে অবস্থিত একমাত ইলেকট্রনটি প্রদান করে আয়নিক যৌগ (লবণ) তৈরি করে। তাই পটাশিয়ামকে ক্ষার ধাতু বলা হয়।

প্রশ্ন-১২. মৌলের নিরপেক্ষ অবস্থা বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : যে অবস্থায় মৌল কোন ইলেকট্রন দান বা গ্রহণ অর্থাৎ কোনো বিক্রিয়ায় অংশ নেয় তাকে মৌলের নিরপেক্ষ অবস্থা বলে।

প্রশ্ন-১৩. সংখ্যা মানে কী?
উত্তর : যৌগ গঠনের সময় কোনো মৌল যত সংখ্যক ইলেকট্রন বর্জন করে ধনাত্মক আয়ন উৎপন্ন করে বা যত সংখ্যক ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্বক আয়ন উৎপন্ন করে তাকে মৌলের জারণ সংখ্যা বলে।

প্রশ্ন-১৪. ন্যাপথলিনে কাবর্ন সংখ্যা কত?
উত্তর : কাবর্ন সংখ্যা দশটি।

প্রশ্ন-১৫. আয়োডিনের নিউক্লিয়ন র্সংখ্যা কত?
উত্তর : আয়োডিনের নিউক্লিয়ন সংখ্যা ১২৭ (১২৬.৯০)।

প্রশ্ন-১৬. STP এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর : STP এর পূর্ণরূপ হলো- Standard Temperature And Pressure।

প্রশ্ন-১৭. ব্লিচিং পাউডারের সংকেত কি?
উত্তর : ব্লিচিং পাউডারের সংকেত হলো ক্যালসিয়াম হাইপোক্লোরাইট [Ca(OCl)Cl]।

প্রশ্ন-১৮. চিনি একটি কী পদার্থ?
উত্তর : সুক্রোজ বা চিনি একটি শর্করাজাতীয় সমযোজী যৌগ। এর সংকেত C12H22O11।

প্রশ্ন-১৯. হিলিয়াম কী ধরনের পদার্থ?
উত্তর : হিলিয়াম গ্যাসীয় পদার্থ।

প্রশ্ন-২০. হিলিয়াম (He) কেন নিষ্ক্রিয় গ্যাস?
উত্তর : He এর সর্বশেষ কক্ষপথে দুটি ইলেকট্রন আছে অর্থাৎ এদের ইলেকট্রন বিন্যাস অত্যন্ত স্থিতিশীল। এই স্থিতিশীল অবস্থার কারণে এরা কোনো ইলেকট্রন গ্রহণ বা বর্জন করতে পারে না। তাই He কে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়।

Related posts

Leave a Comment